
https://www.facebook.com/events/765014367826185/?ref=newsfeed
বাঁকের উদ্যোগে Sister Library-র আয়োজনে আমার কবিতায় ও দর্শনে সাহস নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। যে সাহস আসলে বাইরের জগতে নয়, নিজের সাথে দেখাতে হয়। মুক্ত চিন্তার সাহস, মুক্ত ভাবনার সাহস, সত্যকে খুঁজবার সাহস, জীবন নিয়ে প্রশ্নগুলো করবার সাহস, এবং সে উত্তর পাওয়ার জন্যে চেষ্টার সাহস। আসলে জীবনে নানান সময় নানার প্রেক্ষিতে বারবার নিজের কাছে এই সাহসের প্রমাণটা দিতে হয়। আর এই সাহসের সাথে বেঁচে থাকার স্বাদ গন্ধ অনুভূতি আলাদা। বাহিরের চোখ তা দেখতে পায় না, অন্তর্দৃষ্টি পায়।
আর এর সাথে সুযোগ হয়েছিল আমাদের দেশের নারীদের সাহসী অবদান নিয়ে কথা বলতে। মুক্তিযুদ্ধে যে আমাদের নারীরা শুধু আশ্রয়স্থল হয়েই তাদের সাহস প্রমাণ করেন নি, বরং অস্ত্র হাতে তুলেছেন, যুদ্ধক্ষেত্রে নেমেছেন, সেই কথাগুলো। এবং খুব দুঃখজনকভাবে এই ইতিহাস তুলে ধরার খুব বেশি বই সিনেমা নেই। হাতেগোনা কয়েকজনের নাম ছাড়া খুব বেশি কারো নাম আমরা বেশিরভাগই জানি না।তো মেহেরুন্নিসা মেরীর বই ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও নারী মুক্তিযোদ্ধা খন্ড ১ ও ২’ আমাকে সহায়তা করেছিল। যখন ভাগীরথী, বীথিকা বিশ্বাস তাদের কথাগুলো তুলে ধরলাম, আমাকে পরদিন কয়েকজন কয়েকজন পড়ুয়া ছাত্রী বললেন, আপু, এইসব তো আমাদের স্কুলের পাঠ্যবইয়ে থাকার কথা, অথচ সব সিনেমায় দেখি নারী মানেই নির্যাতিত হওয়া। এইসব সেখানে আসে না কেন?
আমি উত্তর দিলাম, আমার আসলেই জানা নেই। আসলেই নেই। আমাদের নারীদেরর পরোক্ষ এবং এর সাথে সাথে প্রত্যক্ষ দুইভাবেই যুদ্ধ করার কথা কেন একইভাবে আসে না? আমি জানি না।
তো বাঁক সংগঠন, Sister Library এবং Goethe Institute এর কাছে আমি কৃতজ্ঞ, আমার মনের কথাগুলো বলার সুযোগ করে দেয়ার জন্যে।
সেদিনের ইভেন্ট থেকে আমার পাঠ ও আলোচনা করা একটা কবিতা শেয়ার করছি…

