আমি দেখলাম একজন মানুষের অগাধ জ্ঞান অগণিত গুণ। তার ব্যাপারে খোঁজ করতেই জানলাম পেছনে তার পড়ে আছে পুলিশ সেনাবাহিনী সরকার। নির্দিষ্ট পত্র পত্রিকায় কেলেঙ্কারির ঘটনা হেডলাইন করে ছাপা।
সেসব পড়তে যেয়ে ভাবলাম, ঠিক আছে, আগে মানুষটার কাজগুলো পড়ি, এরপর নাহয় অভিযোগ পড়া যাবে। ওদিকে তার কাজ আর শেষ হবার নয়। তার চিন্তা চেতনা কর্মের গভীরতা ছুঁতে আমার লাগবে বহু বছর। ততদিন ঔৎসুক্য দমন সম্ভব?
এদিকে মিডিয়া চেঁচাচ্ছে, টিভি চ্যানেল পত্রপত্রিকা চেপে ধরছে, ফেসবুক ইউটিউব জোরাজুরি করছে – আগে কেলেঙ্কারির দিকে মনোযোগ দিন, এরপর নাহয় ঐসব।
এদিকে কেলেঙ্কারিতে মন দিলে আমার মনও কেলেঙ্কারি রটাবে।
আর হবে স্বার্থান্বেষীদের স্বার্থ হাসিল, ব্যবসায়ীদের মুনাফা বৃদ্ধি।
ওদিকে ঐ মানুষটার কিছু কথা পড়লে, কিছু কথা বুঝলে, কিছু গভীরতা ছুঁলে, মন হয়তো মুক্তির কিছুটা স্বাদ পাবে। হয়তো আমার মন খোলা আকাশে অ্যালবাট্রসের স্বাধীনতা নিয়ে উড়ে বেড়াবে।
প্রশ্নটা আসলে সে ব্যক্তিকে নয়, প্রশ্নটা মিডিয়াকেও নয়। প্রশ্নটা আমাকে।
আমি কী চাই?
শকুন নাকি অ্যালবাট্রস হতে?
এলবাট্রস নাকি একসাথে ১০,০০০ মাইল পাড়ি দিতে পারে। দিনের পর দিন, মাসের পর মাসও টানা উড়তে পারে, পাতালে না নেমে। বিজ্ঞানীরা এর অনেক ব্যাখ্যা দিবেন। কিন্তু আমার মনে হয়, এলবাট্রসদের একটা মন আছে, সেই মন উড়তে ভালোবাসে। তাই হাজার হাজার মাইল ক্লান্তিহীনভাবে উড়ে যেতে পারে। এলবাট্রসের মন আকাশের সুবিশালতাকে ভালোবাসে। পাতালের দিকে তার চোখ পড়ে না, তাই পাতালে নামবার প্রয়োজন বোধ সেভাবে হয় না।





