আড়ি পাতি

চলতে চলতে অনেক সময় ঘরে/ঘরের বাইরে মানুষের মুখের কথা শুনি। কিছু কিছু কথা বেশ অদ্ভুত লাগে। শুধু একটা কথা একটা বাক্যতেই যেন পুরো মানুষটার গল্প হাজির হয়ে যায়।
আমরা প্রত্যেকেই কিন্তু বেশ অদ্ভুত। বাহির থেকে সেভাবে বোঝা যায় না। মাঝেসাঝে মুখের কথায় প্রকাশ পেয়ে যায় আর কি।
সে অদ্ভুত কথাগুলো সংগ্রহ করার ইচ্ছে আমার অনেকদিনের। সেই ইচ্ছে থেকেই এই পথে ঘাটে ঘরে বাইরে শোনা কাছের দূরের মানুষদের মুখের কথার সংকলন – আড়ি পাতি।

সদ্য বিবাহিত ভায়োলেন্ট বান্ধবীঃ
আমি আর ও তো এখন তুই তোকারি করি! ও না, আমি করি!
মনে পড়ল, ও করলে তো আমি ওকে গলা টিপে মেরে ফেলব!!

রাজধানীর এক ট্র্যাফিক সিগন্যালে দুজন ব্যক্তির আলাপ –
১ম জনঃ মহিলারা খালি বইয়া থাকে না, হ্যাগো অনেক কাজ !
২য় জনঃ আমি দেহি না কোনো কাজ!
১ম জনঃ সারাদিন বাসায় বইয়া থাইকা দেইখো কত কাজ!

আমার ফ্রেন্ডের বিয়েটিয়ে করে একাকার।
ফোন দিলেই বলে বেবিটার মামস হয়েছে, দোয়া করে দাও!!
– বিরক্ত বান্ধবী

আমার ছেলে ফ্রেন্ডগুলা দুইদিন অনেক নক দিয়ে কথা টথা বলে এরপর হাওয়া,
বলে আমার বউ অনেক কান্নাকাটি করে তোর সাথে কথা বললে।
তাদের কাছে অনেক কিউট লাগে যে এভাবে কান্নাকাটি করে!
– ত্যাক্ত বিরক্ত বান্ধবী

সদ্য বিবাহিত বান্ধবী:
আসলে আমাদের মধ্যে অতিরিক্ত ভালোবাসা!!
অতিরিক্ত ভালোবাসার চোটে সারাক্ষণ ঝগড়া হইতেসে!!


[বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার সময় রিনার অনুভূতি]

রিনাঃ হেই দ্যাশে কত মানুষ আফু!!!
আমিঃ পুরো পৃথিবী থেকে সবাই ওখানে খেলা দেখতে গেসে
রিনাঃ (আফসোসের সুরে) খালি আমরাই গেসি না। না আফু??

“আমি ছোট মানুষ, ভুল হলে আমাকে বলবে, যে বাবু এটা ঠিক করে নাও।
আমার মার্কস কাটবে কেন?
আমার মার্কস কাটলে ঐ স্কুলে আমি যাবই না!”
– আনান, ৬ বছর

ভাগ্নে: চল, গান শুনি
আমি: চল শুনি!! ♪♪সেইদিনের এক বিকেলে…♪♪
ভাগ্নে (তটস্থ হয়ে): এই!! তোমাকে গান গাইতে বলি নাই!!!

“দাদু আমারে কইতো,
ফুপুর বাচ্চা মরার আগে নাকি স্বপ্নে দেখতো
ফুপা ন্যাংটা হয়ে গাছে ঝুলতিসে!
এটা দেখে নাকি দাদুর মনে হইসে ফুপুর বাচ্চা বাঁচবো না!”
– মিসেস শবনম

[উল্লেখ্য, সেই ফুপুর বেশ কয়েকবার মিসক্যারেজ হয়েছে, এবং সেই দাদী প্রতিবারই স্বপ্নে দেখতেন তার মেয়ের জামাই উলঙ্গ হয়ে গাছে ঝুলছেন..]

রিনাঃ বান্দর রুটি খাইসো আফু? গাছে ধরে! এমন তিতা!!
আমিঃ রিনা, এইসব কইত্থেকে পাও তুমি?!
রিনাঃ পাহাড় থেকে!

[রিনা সুনামগঞ্জের পাহাড়ি এলাকার মেয়ে]

খালা: বাবু, তোমার যে একটা ছোট ভাই/বোন আসবে, কেমন হবে?
ভাগ্নে: আমার দরকার নাই!! একটা Drug Lord হবে!!

[ভাগ্নের বয়স ১৩]

“আমার এক ফ্রেন্ড বলে,
আমার যখন ঘুম আসে না, আমি চোখ বন্ধ করে পা দোলাই।
সেই দুলুনিতে আমার ঘুম আসে”

– বান্ধবী

আমি (মুগ্ধ হয়ে): ওয়াও!! এত স্ট্রেস কীভাবে হ্যান্ডল করলেন??
অপরজন: আমি আর ভাবী কাঁদতে কাঁদতে। আমাদের কান্না দেখে বাচ্চার চিৎকার!!!
আমি (হতাশ): ওহহ…

আমার বানানো স্পেশাল কফি খাওয়ার পর আমার অসহায় কলিগের রিভিউঃ
ওয়াও!! ধনিয়া পাতার ফ্লেভার যুক্ত কফি!!

[দোকান থেকে এসে]

রিনাঃ আফু! সব হিসাব কইরা আনসি, কিন্তু টাকা গনসি না!!

রিনাঃ তুলতুলের কান ফুডাইলে ক্যামন হইব আফু?!!
আমিঃ তুলতুলের কান কেন ফোঁড়াবা, রিনা?
রিনাঃ কান আছে দেইখা!

বান্ধবীর ফ্যামিলি হিস্ট্রিঃ

আমার আম্মু অনেক ডিরেক্ট স্বপ্ন দেখে!
আম্মু যখন জোয়ান ছিল, তার জন্যে পাত্র দেখা হচ্ছিল,
তখন একদিন রাতে স্বপ্ন দেখে এক ছাগলের সাথে বিয়ে হচ্ছে।
এরপর কে যেন ছাগলটাকে নিয়ে যাচ্ছে। আম্মুর খুব কষ্ট লাগল তখন।
স্বপ্নের মধ্যেই বলল, হোক ছাগল, তবু তো স্বামী!
এর কিছুদিন পরই আব্বুর সাথে আম্মুর বিয়ে হইসে!!

আমি ক্ষেতে দা আইলে দা মানুষরে (মাঝি ও জেলে) দেখি নামাজ পড়তে, তখন মনে মনে দোয়া করি,
আল্লাহ, তুমি তাদের দুনিয়া এবং আখেরাত সহজ কইরা দিয়ো

– বান্ধবী উর্মি, নরসিংদী

অনেকের দেখবেন অর্থ আছে, কিন্তু অর্থের গোলামি করে। অর্থ বেশি, গোলামি করে বেশি! অর্থ ধইরা রাখার লাইগা!

– বান্ধবী উর্মি, নরসিংদী

[রিনার কথায় কথায় ছন্দ মেলানোর অভ্যাস – ]

আমিঃ মাশাল্লাহ!
রিনাঃ মাশাল্লাহ! হাসের কেল্লা! না মোরগের কেল্লা!!
(একটু চিন্তা করে) বিড়ালের কেল্লা!!

“আমার যে এতোগুলা নিউরন ড্যামেজ হইতিসে মেজাজ খারাপ করে,
এর ভর্তুকি কে দিবে??”

– খুবই মেজাজ খারাপ অবস্থায় বান্ধবী

সম্ভাব্য পাত্রের সাথে কথা বলার পর বান্ধবীর অনুভুতিঃ –

“প্রতিদিন বলে মেয়েরা নাকি তার ওপরে ঝাঁপায় পড়ে!!
সব মেয়েরা নাকি তার জন্য অস্থির হয়ে গেসে!!
এক মেয়ে নাকি তার সাথে কথা বলে তার বয়ফ্রেন্ডকেও ছেড়ে দিসে!
পরে দেখে ঐ মেয়ে তার অফিসের নিচে এসে বয়ফ্রেন্ডকে ধরে মারতেসে!”

আমিঃ তুমি কষ্ট করে কিনতে গেলা কেন? আমার তো অসুবিধা ছিল না।
রিনাঃ না! আমার অসুবিধা ছিল!!

[সুনামগঞ্জের মেয়ে রিনা, বয়স ১১, বর্তমানে আমাদের সাথে থাকে]

আমার ১২ বছরের ভাগ্নেকে, ওর টয়লেট সংক্রান্ত সমস্যা চলছে –

আমি: তোমার হাগু আজকে কেমন হয়েছে বাবু?
ভাগ্নে (গম্ভীর হয়ে): তুমি আমাকে এসব ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করবা না।

আমার আগের অফিসে এক ভাই সারা দিন আমার লুকস নিয়ে মন্তব্য করতেন। আমি তো সেখানে মডেলিং করতে যেতাম না (মডেলের মতন সেজেগুজেও যেতাম না)। আমি যেতাম কাজ করতে। তো “মেয়ে” মানেই “সুন্দরী” কিনা এই ব্যাপারটা নিয়ে আমি খুব বিরক্ত হতাম। শেষে একদিন বলতে বাধ্য হলাম –

সেই ভাইঃ এখন না আপনাকে “অমুক” রকম লাগছে!! সকালে “তমুক” রকম লাগছিল!!

আমিঃ থ্যাংক ইউ, ভাই। আসলে অফিসে ঢুকে আমার আর আয়না দেখা লাগে না।
আপনার কথা শুনেই আমি বুঝে যাই আমাকে কখন দেখতে কেমন লাগছে!

মগবাজার এলাকায় ২৫/২৬ বছর বয়সের এক যুবকের টি-শার্টের লেখাঃ
প্রেম করবেন PURE
ছ্যাকা খাইবেন SURE!

ঢাকার মধুবাগ এলাকায় ভ্যানগাড়িতে করে তেলাপোকা মারার ওষুধ বিক্রেতাঃ
“…চায়না তেলাপোকা!!
বিদেশ থেকে এসেছে (আপনার ঘরে)!!!
বিনা পাসপোর্টে! বিনা ভিসায়!!!”

আমার বান্ধবী ও তার ভাগ্নে আনান (৬ বছর) – এর কথোপকথন –

আনান : আমি আপনার জন্যে ছেলে ঠিক করেছি! ছেলে আপনার চেয়ে একটু লম্বা হবে, চুল বড় হবে, ঝুঁটি বেঁধে থাকবে।
বান্ধবী (খুশি হয়ে) : তাই!! শ্যামলা হবে না ফর্সা হবে??
আনান : সবুজ হবে!!

(বান্ধবী ছ্যাকা খাওয়া টাইপের হতাশ)

হাতিরঝিল এলাকায় এক কলেজ পড়ুয়া এক ছেলের ফোনালাপ –

“কুষ্টিয়ার এক মেয়ে, কোন মেজরের মেয়ে। ওরে মাথা রে!!! এত্তো মেধাবী!
৪০টা কোয়েশ্চেন আনসার, ২৭ মিনিটে শ্যাষ!!
অবশ্য ভালো আছে, আমারে দেখাইছে…”

(টেলিভিশনে বন্যার খবর দেখার পর…)

“বন্যা আইলে কী মজা হয়, আফু!!!
পানি উডে!! আমরা সাঁতোর পাড়ি!! কি মজা!!”

– ঘন ঘন বন্যা কবলিত এলাকা সুনামগঞ্জের মেয়ে রিনা, বয়স ১১

বগুরা শহরে প্রতি শুক্রবারে মহিষের মাংস বিক্রেতা হাঁক ডাকেনঃ

“মোষ! মোষ! মোষ!
এ মোষ মানুষ খায়!!”

[তিনি আসলে বোঝাতে চান যে মানুষ এই মহিষের মাংস খেতে পারে…]

এক ভাই এরেঞ্জ ম্যারেজের জন্যে পাত্রী দেখে এসে –

ভাইঃ আরে আমার সাথে তো পাত্রীর অনেক মিল!! এমন কি আমরা একই রকমের টুথপেস্ট ইউজ করি!!
বান্ধবীঃ তাই!! কোন টুথপেস্ট ইউজ করেন আপনারা?
ভাইঃ আমিও কোলগেট ইউজ করি, সেও কোলগেট ইউজ করে!!
বান্ধবীঃ ভাই, আমি নিজেও কোলগেট ইউজ করি। আমার বাসার সবাই কোলগেট ইউজ করে। এই টুথপেস্ট সবাই ইউজ করে।

ভাই হতাশ!

দুজন ছিনতাইকারী আমার মেজো মামার ঘড়ি ও মানিব্যাগ নেওয়ার পর –

ছিনতাইকারীঃ কিছু মনে নিয়েন না। আমরা আসলে লোক খারাপ না। অভাবে পড়ে নিতে হইলো
মেজো মামাঃ না না ঠিক আছে, অসুবিধা নেই

রিনার (বয়স ১১) ছন্দ আবিষ্কারঃ

“কেঁচি! কাডালের বিচি!
ও আল্লাহ! কেঁচি আর কাডালের বিচি!
দুইডা মিল্লা গেছে গা!!”

রিনার (বয়স ১১) নানার্থ শব্দ আবিষ্কারঃ

আমিঃ রিনা, চিনিরটা এদিকে দাও তো একটু
রিনাঃ চিনি! আফু আমি তোমারে চিনি! এই যে নাও চিনি! তোমারে আমি চিনি!
ও আল্লাহ! এইডাও চিনি অইডাও চিনি! চিনি চিনি!
আফু এই দুইডা এমন ক্যারে?!!!

এটা অবশ্য আগের ঘটনা। তখন টিএনটির আমল। আমার অনেকগুলো সুন্দরী বড় বোন থাকায় বাসায় প্রায়ই নানান কিসিমের মজনুদের কল আসতো। তেমন একদিনের ঘটনা –

বোনঃ (ঘুমের মধ্যে বিরক্ত হয়ে) হ্যালো
অপরপ্রান্তঃ হ্যালো স্লামালিকুম
বোনঃ ওয়ালাইকুম সালাম। কে?
অপরপ্রান্তঃ আমি ইমেজ। আপনার মার অফিস থেকে…
বোনঃ কি!!! ইমেজ!!! শালা ফাইজলামির জায়গা পাস না!! দিন-দুপুরে ঘুম নষ্ট করে ফোন দেয়! ইমেজ!! তোর ইমেজের আমি বারোটা বাজাবো!!! শয়তান ব্যাটা!!

অপরপ্রান্তে দ্রুত ফোন রেখে দেয়ার শব্দ।

আমার মা (অফিস থেকে ফিরে) : অফিসের একটা ছেলেকে পাঠাইসিলাম, ইমেজ নামের। আসছিল ও?

রিনাঃ আফু, তোমার যদি হাত কাটে তো কী করবা জানো?
কস্টিপ মাইরা লাইবা!!
আমার যেমুন হাত কাটসে, আমি কস্টিপ মাইরা লাইসি!!

– রিনা
(এরপর ওকে দ্রুত স্যাভ্লন দেয়া হয়েছে)

‘বেডিরে রাখা-ই হইসে রাতে ডিউটির লাইগা। বেডি ঘুমায় পড়ে রাত ১০টা বাজে!! সকাল ৬টায় ডাক দিলেই বলে “আল্লাহ! তুমি মালিক!!”‘

– বান্ধবী উর্মি, নরসিংদী
[একজন মহিলাকে আমাদের গ্রামের বাড়িতে কাজের জন্যে রাখা হয়েছে।
কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার এই যে তাকে ঘুম থেকে ডাক দিলেই তিনি সরাসরি আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে দেন… ]

গাইডেড মেডিটেশন শোনার পর রিনার অনুভূতিঃ

“বাপরে বাপ!! আরেকটু হইলে আমি চেয়ার তে পইরা গেলাম গা! এমন ঘুম পাইসে!! আমি আর শুনতাম না!!!”

প্রথম বান্ধবীঃ আমার নানু বাড়িতে না একটা মহিলা আছে! সে বোবা। কানেও শুনে না।
দ্বিতীয় বান্ধবীঃ বাহ!
প্রথম বান্ধবীঃ কিন্তু তিনি অনেক জাঁদরেল মহিলা!!
দ্বিতীয় বান্ধবীঃ বাহ-টা আগে বলে ফেললাম!!

তন্নিঃ ঐ আপু এত ফ্রি এত ফ্রি যে আপনার বাসায় গেলেই আপনার খাটে সোজা শুয়ে পড়বে!
আমিঃ আসলেই তো অনেক ফ্রি…!

[আসল নাম তন্নি না। এখানেই আছে বলে নাম প্রকাশ করছি না]

“আমি ভিক্টোরিয়া সিক্রেটের amber romance পারফিউম মেখে বের হইসি, আর সিএনজিওয়ালা কিনা বলে – আফা, আফনার সেন্টে নাবিস্কো বিস্কুটের ঘেরান! আমার এই ঘেরানডা খুব ভাল্লাগে!!”

– বান্ধবী

বাসের গায়ে খুব যত্ন করে কিছু কথা লেখা থাকে। সেই লেখাগুলোর পেছনে মানুষগুলোর কী চিন্তা কাজ করছিল এটা ভাবতেও মজা লাগে। এখানে কিছু শেয়ার করছি –

“চলো বন্ধু চিরিয়াখানা যাই”
“দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসুন”
“মদিনার পথে পরিবহন” (যদিও বাসটিকে যাত্রাবাড়ির পথে দেখেছি)
“দূরত্ব বজায় রাখুন”
“১০০ হাত দূরে থাকুন”
“সড়ক পথে বিমানের ছোঁয়া” (বাসের নাম – যাতায়াত পরিবহন)
“আবার দেখা হবে”

আমার মাঃ নাউজুবিল্লাহ! এইসব দেখা চোখের জিনাহ!!
রিনাঃ খালাম্মা, পদ্মা সেতু দেখলে কি হইব??

আমার মা (খুব উৎফুল্ল হয়ে) : ইউটিউবে আম সংরক্ষণ দেখলাম!!
আমিঃ তুমি তো প্রতিবারই এটা করো?
আমার মাঃ না! না! এবার ফ্রিজ ছাড়া সংরক্ষণ দেখলাম!!
রিনাঃ আফু, খালাম্মা চুনা পানি দিবো আমে!!

(বেশ উৎফুল্ল কন্ঠে)
“ইউটিউবে ঢেঁড়শ রাঁধা দেখলাম! সরিষা বাটা দিয়ে!!!”

– আমার মা
(এবং এই ইউটিউব রেসিপি সেদিন আমাদের লাঞ্চে ছিল…)


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *