প্রতিটা শহরের প্রতিটা ছাদে কাঁদবার কিছু জায়গা রাখা দরকার।
যখন তখন যার যেভাবে খুশি কাঁদবে।
হঠাৎ করে মাথার ওপর আকাশটা ভেঙে পড়লে,
পায়ের নিচে মাটি সরে গেলে,
জোর করে আর কান্না চেপে রাখবে না কেউ
মানুষগুলো স্বাধীন মনে,
খোলা আকাশের কাছে দাঁড়িয়ে,
ইচ্ছেমতন কাঁদবে।
মনের সাথে যুদ্ধ করে
কান্নাদের আর আটকাবে না,
হাসি ধরে রাখার ভান করবে না,
কান্না এড়াতে ছুটে যাবে না
পালাতে হবে না কোথাও
বলতে হবে না মিথ্যার পর মিথ্যা
কান্না লুকাতে প্রিয়জনদের আর ঠেলে দিতে হবে না বহুদূরে,
যেন কান্না প্রকাশ না পায়, যেন কষ্ট আর না ছড়ায়
খুব স্বাভাবিকভাবে পথে প্রান্তরে মানুষগুলো হাসির মতন কাঁদবে
আর চারিদিক থেকে অন্যেরা সে কান্না দেখে হবে আনন্দিত –
যে এই মানুষটা তার কষ্টগুলোকে জলের আকার দিচ্ছে
জলের পরে বাষ্প হয়ে কান্নাগুলো উড়ে চলে যাবে,
কষ্টগুলো ভেসে চলে যাবে
নিয়ে যাবে তাকে
জীবনের নতুন আরেক অধ্যায়ে
অতীতকে ফেলে, বর্তমানকে পেড়িয়ে,
ভবিষ্যতের প্রান্তরে
যে এই মানুষটা এখনো মানুষ
কাঁদতে পারার শক্তি তার আছে
সাহস তার আছে
তাই সে কাঁদছে,
কাঁদছে, কাঁদছে
আর কিছু পর অশ্রু ঝরা থেমে যাবে
আর কিছু পর দুঃখগুলো মিলিয়ে যাবে
যে এই মানুষটা এখন দুঃখ জয়ের প্রক্রিয়ায়…।
