না, কথায় নয় আলাপনে নয়
ভাব বিনিময়ে নয়
প্রতীক্ষার অগোচরে নয়
আকাঙ্ক্ষার আশ্রয়ে নয়
বিধিবিধানের বেড়াজালে নয়
কোনো হিসেবখাতায় নয়
চাওয়া পাওয়াতে নয়
আদান প্রদানের মাধ্যম হয়ে নয়
কেবল সরল সত্য স্বীকার
অস্তিত্বের উপলব্ধি
তুমি আছ, আমি আছি, আছে এই পৃথিবী
এরপর বাকিটা চোখে চোখে
যে চোখের দরজা দিয়ে
উন্মুক্ত হয়
অন্তরের প্রবেশ পথ
সে পথ ধরে
তোমার চোখে চোখ রেখে
কত শহস্র জীবন
পাড়ি দেয়া হলে গেল, বলো?
দুজন অনেক বছর ধরে খুঁজছিল দুজনকে। অবশেষে দেখা হলো, ব্যস্ততম শহরের কোনো এক সন্ধ্যায় এক নির্জন রেস্তোরাঁতে। সেদিন তারা দুজন দুজনের চোখে চোখ রেখেছে, এরপর সব কথা ফুরিয়ে গেছে। যেন চোখে চোখেই অনেক কালের অনেক জমানো কথা হয়ে গেল।
মৌনতার আশ্রয়ে তারা সেদিন কথা বলে নি কোনো। বলতে দিয়েছে যা কিছু বলার ছিল অন্তরের, চোখের মাধ্যমে।
[পুরো দৃশ্যটাই কাল্পনিক। মৌন প্রেমিক প্রেমিকারাও যে কাল্পনিক তা বলার কি অপেক্ষা রাখে?]
