তাই বলে এভাবে বিদ্রোহ ঘোষণা করে দিলে? আমার বিরুদ্ধে?
– দিলাম, তোমার বিরুদ্ধে। হোক যুদ্ধ!
ধ্বংস করতে চাও?
– হ্যাঁ চাই!
হত্যা?
– হ্যাঁ হত্যা
ভালোবাসা?
– ভালোবাসা আমি বুঝি না
ঘৃণা বোঝো?
– হ্যাঁ, আমি ঘৃণা করতে চাই
শুনেছি ঘৃণা আর ভালোবাসা নাকি খুব কাছাকাছি থাকে
– থাকুক
কিন্তু যুদ্ধের ওপারে শান্তির কোনো অস্তিত্ব নেই
– না থাকুক
তবুও যুদ্ধ চাও?
– চাই
তোমার মনে অনেক যুদ্ধ, তাই না?
– জানি না
তাই আমার মাঝেও তোমার যুদ্ধ ছড়াতে চাও
– জানি না
কিন্তু আমার সাথে কেন, জিজ্ঞেস করেছ কখনো?
– না
করতে চাও না?
– চাই না
এত ভয়ে ভয়ে কি যুদ্ধ হয়?
– হোক যা খুশি
তুমি ঘৃণা ছুঁড়ে ভালোবাসা পেতে চাও, জানো?
– (চুপ)
তুমি যুদ্ধ ঘোষণা করে শান্তি পেতে চাও
– (চুপ)
তাই শেষ পর্যন্ত কোনটাই পাওয়া হয় না…
– না হোক!
ঠিক আছে তবে, তোমার যুদ্ধ চলছে চলুক
– তোমাকেও যুদ্ধক্ষেত্রে থাকতে হবে
মনে করে নিও আছি
– তোমাকেও লড়তে হবে
মনে করে নিও লড়ছি
– তোমাকে হারতে হবে
মনে করে নিও হেরে গেছি, মরে গেছি। শান্তি পাচ্ছ?
– না
তুমি আমাকে চাও, তা কি জানো
– জানতে চাই না
তুমি আমাকে খোঁজো, তা কি বোঝো?
– বুঝতে চাই না
তবু তুমি আমাকে গ্রহন করতে পারো না কেন জানো?
– না
কারণ নিজেকে পারো না। স্বীকার কিংবা গ্রহন…
– জানি না
তোমার যুদ্ধ তোমার ভেতর তোমার সাথে। আমার সাথে নয়।
– (চুপ)
তোমার বিদ্রোহ তোমার বিরুদ্ধে। তাই এত ভয়…
– ধ্বংস হোক তোমার
মনে করে নিও হয়ে গেছি, ধ্বংস। তবে আমাকে ধ্বংস করতে যেয়ে তুমি নিঃশেষ হয়ে যেও না
